শিরোনাম
আমাদের বাংলা ডেস্ক : | ০৮:১২ পিএম, ২০২৬-০৫-১১
কাজী হুমায়ুন কবির/আলাউদ্দিন বেলাল :
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষনের ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের প্রকল্পটি দেশব্যাপী কার্যক্রম দরপত্রের মাধ্যমে পরিচালনার দায়িত্বে নিযুক্ত হন ই লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেড। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে প্রকল্প চলাকালীন সময়ে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের যেন শেষ নাই। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এদের অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রকল্পের অধিনে বিভিন্ন জেলার প্রশিক্ষনার্থীরা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাাদের নানা অনিয়মের বিষয় প্রতিবেদকের কাছে তুলে ধরেন। যেসব অনিয়মগুলো সঠিক প্রশিক্ষন নিতে প্রশিক্ষনার্থীদের বাধাগ্রস্ত ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এই প্রকল্পের অধীনে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সে অধ্যায়নরত কয়েকটি জেলার শিক্ষার্থী সুত্রে জানা যায়, ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছিল। যা বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় এই যুবদের আত্ম নির্ভরশীল করার জন্য ৬ষ্ঠ ব্যাচের ফ্রীল্যান্সিং কোর্সটি চলছে। বেকারত্ব ঘুছানোর জন্য ছাত্রছাত্রীরা অতি উৎসাহী হয়ে এই ফ্রিল্যান্সিং কোর্স সম্পুন্ন করে নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তুলতে ভর্তি হয়েছে। যারা আত্মনির্ভরশীলতায় দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করবে। প্রশিক্ষনার্থিরা বলছে, এই প্রতিষ্ঠানটি যথাযথভাবে তাদের প্রাপ্য না দিয়ে নিজেরা আখের গোছাচ্ছে। নিম্নমানের খাবার দিয়ে লূটে নিচ্ছে ছাত্রদের খাবারের টাকা ও ভুয়া এটেনডেন্স, নিয়ম বর্হিভুত অনলাইন ক্লাস। অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতে তাদের খাবারের টাকা যথাযথভাবে না দেয়ার অভিযোগ যা তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এই প্রকল্পের অধিনে ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম, মানিকগঞ্জে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী সুত্রে আরো জানা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাস চলাকালীন সময়ে ৩০০টাকা খাবার বিল ও প্রতিদিনের জন্য ২০০ টাকা সম্মানি ভাতা বরাদ্দ হলেও জেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রকল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে দিশেহারা। ৩০০ টাকার মধ্যে তাদের সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকালের নাস্তা দিবার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দায়িত্বরতরা সে খাবার সঠিকভাবে দেননা, দিলেও এই খাবারের মান নিন্মমানের, যা একজন শিক্ষার্থীর খাবারের যোগ্য নয়। অনেক শিক্ষার্থী এসব খাবার ডাষ্টবিনে ফেলে দিতে দেখা গেছে। এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিবেদককে জানানা, অনলাইনে ক্লাস করার নিয়ম না থাকলেও আইন বহির্ভুত তাদেরকে অনলাইন ক্লাস করানো হয়। আবার সেই অনলাইন ক্লাসের এটেনডেন্স নেয়া হলেও তাদের খাবারের বরাদ্ধ টাকার কোন হদিস থাকেনা।
নেত্রকোনার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, অনেক জেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি স্বাক্ষর নেয়া হলেও কোন ক্লাস করানো হয়নি। অনলাইনে ক্লাস নেয়ার বিধান না থাকলেও তার মোট কোর্সের এক তৃতিয়াংশ ক্লাস অনলাইনে নেন। কোর্স শেষে তাদেরকে এককালীন ১৫ হাজার টাকা করে সম্মানি ভাতা দেয়ার কথা থাকলেও অনেক জেলায় ৫ম ব্যাচের ছাত্রছাত্রিরা তাদের সেই প্রাপ্য টাকা পাননি।
উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগ সরকার সারাদেশের যুবদের আত্মনিভরশীল করার লক্ষ্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স প্রকল্প গ্রহন করে, যা বহাল রাখছে অন্তর্বর্তী সরকারও। প্রকল্পটি দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন বছর মেয়াদি। দেশের ৬৪টি জেলায় এই যুবদের । নির্ভরশীল করার জন্য ফ্রীল্যান্সিং কোর্সটি। কোর্সটি চলাকালীন সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলার অনেক অনিয়মের তথ্য প্রতিবেদকের হাতে উঠে এসেছে।
এসব অনিয়মের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক কর্ণেল গাজী মো আহছানুজ্জামান (অবসরপ্রাপ্ত) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কোন অনিয়ম পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেই। আমাদের জানামতে খাবার ঠিকমতো দেয়া হয়। অনলাইনে ক্লাস হওয়ার বিষয়ে তিনি স্বীকার করে বলেন, মাঝে মাঝে কয়েকটি অনলাইন ক্লাস হয়েছে। আমাদের কাছে যে রিপোর্ট আছে তাতেতো কোথাও কোন ব্যাত্যায় নাই। তাছাড়া প্রতিনিয়ত আমাদের মনিটরিং টিম কাজ করছে। আপনারা কোন তথ্য জানলে বা কোন তথ্য থাকলে আমাদের দিন আমরা ব্যবস্থা নিবো।
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মোঃ মানিকহার রহমান(যুগ্মসচিব)কে প্রকল্পে এসব অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এই প্রকল্পে কোন দুর্নীতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবেনা। আমরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করছি। এসিট্যান্ট প্রজেক্ট ডাইরেক্টর প্রায় সময় এই প্রকল্পের অধিনে অনেক জেলায় ভিজিট করেন। যদি কোন জেলায় এসব অনিয়ম পাওয়া যায় তবে অবশ্যই যে প্রতিষ্ঠানের অধীন এই প্রজেক্ট চলছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনাদের কাছে কোন তথ্য থাকলে দিয়ে যান, আমি বিষয়টি আন্তরিক ভাবে পর্যাালোচনা করবো। এবং ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : চট্টগ্রামের কিশোরী সুপর্বা সুধা বিশ্বাস। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর ঝুলিতে ইতোমধ্...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : বাংলাদেশ এডিটরস্ ফোরাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রি...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ ইসলাম...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু পুরুষের শাস্তির বিধান কেন অবৈধ নয়, তা জানতে ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর বিচার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগোচ্...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited